বরগুনায় মাছের ঘের দখলের অভিযোগ

বরগুনার সদর উপজেলার ক্রোক এলাকার একটি মাছের ঘের জোর করে দখলে নিতে সেচ পাম্প লাগিয়েছে পানি স্বেচ দিচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আজ মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) সকালে মাছের ঘেরটিতে দুটি সেচ পাম্প লাগিয়ে পানি স্বেচ দেয়া শুরু করে ক্রোক এলাকার বাসিন্দা গোলাম ফারুকের পুত্র মোঃ শাকিল মাহমুদ। শাকিল সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে যুবদলের কর্মী।
ওই ক্রোক এলাকার শাহজাহান পঞ্চায়েতের পুত্র মোঃ ফয়সার পঞ্চায়েত ওই ঘেরটির মালিক বলে বরগুনা সদর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, শাকিল মাহমুদ বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে ঘেরটি দখলে নিতে বহুদিন ধরে পায়তারা চালায়। পরে আজ সকালে দুটি সেচ পাম্প লাগিয়ে পানি স্বেচ শুরু করে। পরে বাধা দিলে তাকে ভয়ভীতি দেখায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ঘেরটিতে দুটি পানির সেচ পাম্প লাগানো। পাম্প দুটি চালু অবস্থায় রয়েছে। ঘটনাস্থলে শাকিল মাহমুদকেও পাওয়া যায়।
এ বিষয় মোঃ ফসাল পঞ্চায়েত জানান, ৫ আগষ্টের পর কিছু ভূমি দস্যু বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আমার মাছের ঘেরটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। পরে আজ সকালে ঘের মাছ লুট করে নিতে দুটি পানির সেচ পাম্প লাগিয়েছে। আমি এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছি। আমি ন্যায় বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয় মোঃ শাকিল মাহমুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন বিএনপির প্রভাব খাটাইনি। বায়নাসূত্রে ঘেরের জমি আমার। তিনি আরও জানান, ফয়সালকে ঘেরের মাছ নিয়ে যেতে বলেছি। সে মা না নেয়ায় সেচ দিচ্ছি। তার মাছ ধরে তাকেই দিয়ে দেয়া হবে। কবে বায়না করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবের কোন উত্তর মেলেনি।
এলাকার লোকজন জানান, ঘেরের জমি ফয়সাল দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখলে আছে। হঠাৎ তারা জমি তাদের দাবি করে পানির সেচ পাম্প লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার এসআই মোঃ শাহাবুদ্দিন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পানি সেচের মেশিন বন্ধ করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে কাগজপত্রসহ থানায় হাজির হইতে বলা হয়েছে।
What's Your Reaction?






